শতাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী বিভিন্ন মামলার আসামি

পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ২০ মামলার আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ৯ অক্টোবর পুলিশ সুপারকে (এসপি) চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত নূর হোসেন এখন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, নূর হোসেনের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুর্নীতির তিনটি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা আছে। আগে খুন, মারামারি, চুরি, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ১০টি মামলা ছিল।
নূর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তিনি এলাকার জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হয়েছে।
শুধু নূর হোসেন নন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৭টি ওয়ার্ডে এমন শতাধিক প্রার্থী আছেন, যাঁরা বিভিন্ন মামলার আসামি। এঁদের মধ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ২৫ জন রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা যাচাই করে দেখা গেছে, ২৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আড়াই শর মধ্যে শতাধিক প্রার্থী বিভিন্ন মামলার আসামি। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয়, দেশের বিভিন্ন থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা আছে। অনেকের সাজাও হয়েছে। তাঁরা সবাই কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত।
হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ৫৩ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে এখনো মামলা চলছে। এ ছাড়া ৫৯ জনের বিরুদ্ধে আগে মামলা ছিল। ২০ জনের বিরুদ্ধে আগে খুনের মামলাও ছিল। সাতজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে এখনো হত্যা মামলা চলছে।
নয়টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা পাওয়া গেছে।
আসামিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিশ্বাস লুৎফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘মামলা থাকার কারণে কিংবা সন্ত্রাসী এমন অনেকেরই প্রাথমিক মনোনয়নপত্র আমরা বাতিল করেছিলাম। কিন্তু পরে আদালত থেকে তাঁরা নির্দেশনা নিয়ে আসেন। এ ক্ষেত্রে আমাদের করার কিছু নেই।’
সন্ত্রাসী ও মামলার আসামিদের নির্বাচন করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সহসভাপতি রফিউর রাব্বী। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ অনেক মামলার আসামিরা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন। ভোটাররা বিষয়টি নিয়ে উৎকণ্ঠিত। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে এঁদের ব্যাপারে সার্বক্ষণিক খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ করেছি।’
জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার শেখ নাজমুল আলম বলেন, ‘কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ অনেক মামলার আসামিরাও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন। আমরা তাঁদের সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যে রাখছি। সব সময় সাদা পোশাকের লোকজন খোঁজ নিচ্ছেন। তাঁদের নির্বাচনী আচরণবিধি পুরোপুরি মেনে চলতে বলা হয়েছে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) নারায়ণগঞ্জ কমিটির আহ্বায়ক আহসানুল করিম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনে সৎ মানুষ নির্বাচিত হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, এটাই প্রত্যাশা। কিন্তু অনেক সন্ত্রাসী ও মামলার আসামিও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এখন প্রার্থীদের তথ্য জানানোর বাধ্যবাধকতা আছে। আমরা প্রতি ওয়ার্ডে গিয়ে কাউন্সিলরদের সব তথ্য সাধারণ মানুষকে জানাব। আমরা চাই ভোটারদের কাছে তথ্য পৌঁছে দিতে। এসব তথ্য জেনে ভোটাররাই সিদ্ধান্ত নেবেন।’
যাঁদের নিয়ে আতঙ্ক: নির্বাচনের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ড হলো ৬ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধেই মামলা আছে। মামলার দিক থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ—দুই প্রার্থীই এই ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন।
পদ্মফুল প্রতীক নিয়ে এই ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন মতিউর রহমান। এলাকায় তিনি ‘সুন্দর মতিন’ নামে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একটি, অপহরণের একটি এবং হত্যার অভিযোগে একটি মামলা আছে। জামিন নিয়ে তিনি নির্বাচন করছেন। অতীতে তিনি ছয়টি হত্যা মামলার আসামিও ছিলেন। এ ছাড়া বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে তিনটি এবং চুরি ও মারামারির অভিযোগে ১০টিসহ সব মিলিয়ে ২১ মামলার আসামি তিনি।
মামলার দিক থেকে দ্বিতীয় অকিলউদ্দিন ভূঁইয়াও এই ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন। তাঁর প্রতীক কার (গাড়ি)। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা চলছে। হত্যার একটি এবং হত্যাচেষ্টা ও জখমের অভিযোগে আছে পাঁচটি মামলা। আগে চুরি, মারামারি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তিনটি মামলা ছিল। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আরেক প্রার্থী আবু খান। তাঁর বিরুদ্ধে মারামারি, হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিনটি মামলা ছিল।
১ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন রওশন আলী। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চুরির অভিযোগে চারটি মামলা আছে। চুরি, মাদক পাচার ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আগে চারটি মামলা ছিল। ভূমিদস্যু হিসেবেও পরিচিতি আছে তাঁর। ২০০২ সালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হলেও এখন তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতির আত্মীয় বলে পরিচয় দেন।
ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে এই ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন তোফায়েল হোসেন। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি হলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তিনি এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
শাহাজালাল ওরফে বাদলের বিরুদ্ধে বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজি ও সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে দুটি মামলা আছে। অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে ডাকাতি ও খুনের একটি মামলা ছিল। তাঁর বাবা নূর সালামও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী। তাঁর বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলা আছে। কাঁচপুর সেতুর নিচে অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে তিনি জড়িত।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন আইয়ুব আলী মুন্সী। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, চুরি, মারামারির অভিযোগে তিনটি মামলা আছে। বিএনপির আমলে তিনি শিমরাইলে পরিবহন চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতেন। কিছুদিন আগে জাল টাকাসহ তিনি গ্রেপ্তারও হন।
একই ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন নজরুল ইসলাম ওরফে গুইট্যা নজরুল। তিনি এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী।
৫ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন আবদুর রাজ্জাক মেম্বার। তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা আছে এবং এই মামলায় তিনি জামিনে আছেন। অতীতে মারামারি ও হত্যার দুটি মামলা ছিল। এর মধ্যে হত্যা মামলাটি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এই ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন আসাদুজ্জামান আসাদ। তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও মারামারির অভিযোগে বর্তমানে দুটি মামলা আছে। অতীতে চাঁদাবাজির একটি, চুরির একটি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুটি মামলা ছিল।
৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে প্রার্থী হয়েছেন আলাউদ্দিন মেম্বার। তাঁঁর বিরুদ্ধে অতীতে একটি হত্যা মামলা থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় তা প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে চুরি, অগ্নিসংযোগ, হত্যাচেষ্টা এবং মারামারি ও জখমের অভিযোগে তিনটি মামলা আছে। এগুলোতে তিনি জামিনে আছেন।
এই ওয়ার্ডে শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আলী হোসেন আলা নির্বাচন করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে সরকারি কাজে বাধাদান ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা আছে। অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি এবং মাদকের একটি মামলা ছিল।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন কাজী গোলাম আযম। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও মারামারির দুটি মামলা ছিল।
১১ নম্বর ওয়ার্ডে আছেন ওমর খৈয়াম ওরফে চঞ্চল। তাঁর বিরুদ্ধে মারামারি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুটি এবং হত্যার অভিযোগে একটি মামলা বিচারাধীন। নারায়ণগঞ্জের পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম সারোয়ারের সহযোগী ছিলেন তিনি।
১২ নম্বর ওয়ার্ডে শওকত হাসেম ওরফে শকুর বিরুদ্ধে একটি হত্যা, বিস্ফোরকের একটি, মারামারি ও ভাঙচুরের একটি এবং চুরির অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। অতীতে ভাঙচুর, চুরি ও মারামারির অভিযোগে পাঁচটি এবং সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে একটি মামলা আছে। এ ছাড়া অস্ত্র আইনে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। সাতটি মামলার মধ্যে রাজনৈতিক বিবেচনায় তিনটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং বঙ্গবন্ধু ও জেলহত্যা মামলার আসামি কিসমত হাসেমের ছোট ভাই।
১২ নম্বর ওয়ার্ডে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, চুরি ও জখমের অভিযোগে দুটি, ডাকাতির একটি এবং বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা ছিল। এলাকায় তিনি টুন্ডা নাসির নামে পরিচিত। ককটেল বানাতে গিয়ে তাঁর হাতের আঙুল উড়ে যায়। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে প্রার্থী হয়েছেন মনিরুজ্জামান শাহীন। এলাকায় তিনি ‘বন্দুক শাহীন’ নামে পরিচিত। বর্তমানে তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি। আগে একটি হত্যা, একটি চাঁদাবাজি, একটি অস্ত্র আইনে এবং বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা ছিল।
বন্দর থানার পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী শাহেন শাহ ২০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন। তিনি একটি অস্ত্র মামলার আসামি।
২১ নম্বরে নির্বাচন করছেন আজিজুল হক। সাংসদ নাসিম ওসমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা, একটি চাঁদাবাজির ও একটি মারামারির মামলা ছিল। আরেক প্রার্থী আবদুর রশিদ একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। তিনি ঠিকাদার। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ আছে।
২৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাইফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে খুন ও ডাকাতির একটি মামলা চলছে। অতীতে একটি হত্যা মামলা থাকলেও খালাস পেয়েছেন তিনি।
২৪ নম্বর ওয়ার্ডের একজন প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ আসাদের বিরুদ্ধে চুরি ও মারামারির অভিযোগে একটি, মাদকদ্রব্য আইনে একটি এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা আছে। একই ওয়ার্ডের মোহাম্মদ জামান খানের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে একটি, চুরি ও হুমকির অভিযোগে দুটি মামলা আছে।
২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াহিদুজ্জামান সেলিমের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুটি হত্যা এবং চুরি ও মারামারির মামলা আছে। অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে মারামারি ও গুরুতর জখমের চারটি মামলা ছিল।
আরও যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা আছে: ১ নম্বর ওয়ার্ডে এম এ হালিম, জাকির হোসেন ও ওয়াজি উল্লাহ মাতুব্বর অজুর বিরুদ্ধে মামলা আছে। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আকবর হোসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাজি মো. হযরত আলী ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা আছে।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাজেদ হোসেন, মহসিন ভূঁইয়া, ইসমাইল হোসেন, জহিরউদ্দিন; ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাসুদুর রহমান, মাজেদুল ইসলাম, শওকত হাসেম; ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি-সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারের ভাই মাকসুদুল আলম খন্দকার, হোসাইন মোহাম্মদ, আরিফ হোসেন ও শহীদের বিরুদ্ধে মামলা আছে।
১৪ নম্বর ওয়ার্ডে দিদার খন্দকার, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শাহজাদা প্রধান, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুল করিম, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে বাহাউদ্দিন খান ও অহিদুজ্জামান মোল্লা, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে জামান খানের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে। ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াহিদুজ্জামান সেলিম, সফরউদ্দিন ও কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বর্তমানে একটি মামলা আছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

This entry was posted in প্রথম আলো. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s