কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ডিসেম্বরে :: নড়েচরে বসেছেন নেতাকর্মীরা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত বলে ঘোষনা দিয়েছেন। এতে করে নগর বাসীর মনে আনন্দের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা নড়েচরে বসেছেন। চায়ের টেবিলের আলোচনায় শুরু হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিকদলের সম্ভাব্য নেতাদের নাম।

জানা যায়, বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুমিল্লাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ২০১০ সালেরর ২৩ আগষ্ট কুমিল্লা পৌরসভা ও সদর দক্ষিণ  পৌরসভাকে একত্রে করে সিটি কর্পোরেশন করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তৎকালীন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আব্দুল মালেক চিঠি দেন। এরই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১০ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের গেজেট প্রকাশ করেন। পরে ৭ আগষ্ট সিটি কর্পোরেশনে প্রথম প্রশাসক হিসেবে যোগদেন যুগ্ন সচিব মোঃ নাছির উদ্দিন আহম্মেদ। নিয়োগ পাবার পর থেকে  বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পূর্ণ করার নির্দেশ প্রধান করেন।

নির্বাচন কমিশন আগামী ডিসেম্বর মাসে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের ঘোষণার কথা কুমিল্লার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাকর্মীদের মাঝে জানাজানি হলে তারা আলোচনা শুরু করেন এই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন নিয়ে। গত জুলাই মাসে সিটি কর্পোরেশন  ঘোষনার পর দেশের দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপির বেশ কিছু নেতা প্রচারণা শুরু করেন সেইসাথে জাতীয় পাটি ও জামাত থেকেও ২/১ জন প্রার্থী প্রচারনা চালাচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন বর্তমান কুমিল্লা সদর আসনের এমপি আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার, চৌদ্দদলের সমন্বয়ক এডভোকেট আফজাল খান, বিএনপি’র   ’কেন্দ্রীয় কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, সাবেক কুমিল্লা পৌর সভার মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, জাতীয় পার্টির কেন্ত্রীয় নেতা এয়ার আহম্মেদ সেলিম, জামায়াত ইসলামীর সানাউল্লা মজুমদার।

তারা প্রত্যেকেই তাদের অনুগত নেতাকর্মীদের নিয়ে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় বিয়েসহ নানা সামাজিক, ধমীয় অনুষ্ঠানে প্রতিদিনই অংশ নিয়ে তাদের প্রচারণার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। গত শুক্রবার কুমিল্লায় এই খবর প্রচারিত হলে সর্বত্র আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে আগামী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী কারা । প্রধানবিরোধী দল বিএনপিসহ ক্ষমতাসীন আ”লীগের নেতাকর্মীরা তাদের অনুগতদের নিয়ে এরই মাঝে শুরু করেছেন তাদের পছন্দের পার্থীর পক্ষে প্রচারনা। এদিকে নগরীতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিতে দুটি করে গ্র“প প্রকাশ্যে থাকায় সাধারণ নেতাকর্মীরা রয়েছেন বেকাদায়।

তবে অধিকাংশের অভিমত দল যাকেই মনোনয়ন দিবে তার জন্য কাজ করবেন। এব্যাপারে চৌদ্দদলের সমন্বয়ক এডভোকেট আফজাল খান বলেন, বিগত সংসদ নির্বাচনে আমাদের নেত্রী, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করি এবং ১৯৭৩ সালের পর এই প্রথম সদর আসনে আওয়ামী প্রাথী বিজয়ী হবার জন্য কাজ করেছি। এবার নিশ্চয় আমাকে মূল্যায়ন করবে।  এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী সাবেক কুমিল্লা পৌর সভার মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, দীর্ঘদিন যাবত দলের রাজনীতির সাথে জড়িত। সিটি কর্পোরেশন হওয়ার আগে আমি মেয়র ছিলাম। তাই দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচিত হবেন বলে তিনি আশা করেন।

সূত্রঃ ইউকেবিডিনিউজ | ২৪ অক্টোবর ২০১১

This entry was posted in ইউকেবিডিনিউজ, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s