চুলচেরা বিশ্লেষণে ভোটাররা | আওয়ামী লীগের ভোট ভাগ হচ্ছে না

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাকি আর মাত্র দুই দিন। শেষ মুহূর্তে প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে নগরীর সর্বত্র। ঘরে ঘরে, পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান, রাস্তাঘাট, হাট-বাজারসহ সর্বত্র আলোচনার মূল বিষয় নির্বাচন। প্রার্থীরাও নাওয়া-খাওয়া ভুলে ছুটছেন নগরীর এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত। নারায়ণগঞ্জবাসীর একটাই প্রশ্ন-কে হচ্ছেন নগরীর অভিভাবক?
বিজয়ী হওয়ার দৌড়ে শামীম ওসমান ও তৈমূর আলম সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা এই দুজনের হয়ে চষে বেড়াচ্ছেন নগরীর বিভিন্ন এলাকা। দলীয় সমর্থন না পেলেও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই ডা. সেলিনা হায়াত আইভীও। স্থানীয় নেতাদের নিয়ে তিনি ছুটে চলছেন নির্বাচনী এলাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
বিধি অনুসারে আগামীকাল শুক্রবার রাত ১২টায় থেমে যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা। এ অবস্থায় শেষ সময়ে এসে একটি মুহূর্তও অপচয় করতে রাজি নন প্রার্থীরা। ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছেন কেউ কেউ। মেয়র পদে মূল তিন প্রার্থীর মধ্যে কেউ কারো চেয়ে কম নন। তিনজনই শক্ত প্রার্থী। বিজয়ী কে হবেন, তা নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে বলা যাচ্ছে না। তবে বেশির ভাগ ভোটারের মন্তব্য, পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভোট উল্লেখযোগ্য হারে ভাগ না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দলীয় সমর্থনকে পুঁজি করে শামীম ওসমান আলাদা সুবিধা পেয়ে যেতে পারেন। যদিও প্রথমদিকে ধারণা করা হয়েছিল, আওয়ামী লীগের ভোট দুই ভাগ হয়ে যাবে। মাঝখান থেকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বাড়তি সুবিধা পাবেন। কিন্তু নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ভোটের হিসাব-নিকাশে ততই মেরুকরণ হচ্ছে।
সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে সর্বশেষ এমন চিত্রই পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় হাজীগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় রফিকুল ইসলামের চায়ের দোকানে গিয়ে পাওয়া যায় নির্বাচনের উত্তাপ। কানে আসে দোকান ঘিরে চারপাশের বেঞ্চে বসা লোকজনের উচ্চকণ্ঠের আলাপচারিতা। মোটরসাইকেল থেকে নেমে ‘কী নিয়ে এত উত্তেজনা’ জানতে চাইলে ষাটোর্ধ্ব ইসমাইল হোসেনের উত্তর, ‘নির্বাচন ছাড়া কোনো আলোচনা নেই। ঘরে-বাইরে সব জায়গায় একটাই আলোচনা_দেয়ালঘড়ি প্রতীকে নির্বাচিত হবেন শামীম ওসমান। তিনিই হবেন নগরপিতা।’ পাশেই বসা মোবারক হোসেন তা মানতে নারাজ। তাঁর উত্তেজিত কণ্ঠের জবাব, ‘জনতার নেত্রী আইভী। জনগণের বিপুল ভোটে দোয়াত-কলম প্রতীকে নির্বাচনে পাস করবেন।’ পাশেই বসা কারখানা শ্রমিক আরিফ ও মুন্নার কাছে উপরোক্ত দুজনের বক্তব্য পাত্তা পেল না। তাঁরা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দুজন প্রার্থী। দলের ভোট দুজন কাটাকাটি করবেন। মাঝখান দিয়ে আনারস প্রতীক নিয়ে ভোটে পাস করবেন বিএনপির নেতা তৈমূর আলম।’
নারায়ণগঞ্জ-সিদ্ধিরগঞ্জ সড়কের পাঠানটুলী এলাকায় মর্জিনা বেগমের চায়ের দোকানেও একই আলোচনা। মর্জিনা বলেন, ‘নির্বাচনের টাইমে বেচাকেনা ভালোই চলছে। কাস্টমাররা অহন শুধু কে জিতব, কার দ্বারা উন্নয়ন হইব_এই সব নিয়াই আলোচনা করে। মাঝেমধ্যে কাস্টমাররা প্রার্থীদের পক্ষ নিয়া একে অন্যের বিরুদ্ধে ঝগড়া লাগাইয়া দেয়।’ এই দোকানে চা পানরত মাঝবয়সী রহমত আলী বলেন, ‘শামীম ওসমান, আইভী, তৈমূর_তিনজনই শক্ত প্রার্থী। তয় এলাকার উন্নয়ন আর বিশাল এলাকার কথা চিন্তা করলে শামীমই যোগ্য প্রার্থী। শামীমই পাস কইর‌্যা যাইব।’ রহমতের বক্তব্যের বিরোধিতায় এবার সরব হন যুবক হেদায়েত উল্লাহ। তাঁর বক্তব্য, ‘আইভী আপা পৌর চেয়ারম্যান থাকতে এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। আইভী আপাই জিত্যা যাইবেন।’ শামীম ওসমানের সমর্থক বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় সমর্থন পেয়েছেন শামীম ওসমান। আইভীই শামীম ওসমানের বিজয়ের পথে বাধা। তবে সংগঠনের টানে দলীয় ভোট শেষ পর্যন্ত এক বাঙ্ইে ফিরে আসবে।’
শহরের খানপুর এলাকার বিবি মরিয়ম স্কুল সড়কে ভ্রাম্যমাণ সবজি বিক্রেতাকে ঘিরে দাঁড়ানো কয়েকজন মহিলা ক্রেতা। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে জানতে চাই, নির্বাচনে কে এগিয়ে আছেন? প্রশ্নের উত্তরে গৃহিণী সরস্বতী রানী বলেন, ‘এটা এখন বলা যাবে না, তিনজনের অবস্থাই ভালো।’ সবজি বিক্রেতা হোসেন মিয়ার উত্তর, ‘ভাই রে, কী কমু আর কী লিখবেন; শেষে হিতে বিপরীত হইয়া যাইতে পারে। সময়মতো জায়গামতো ভোট দিয়া আসুম।’
নারায়ণগঞ্জবাসীর মূল দাবি শীতলক্ষ্যার ওপর একটি সেতু। তোলারাম কলেজের ছাত্র হাসান বলেন, ‘আমাদের প্রথম দাবি শীতলক্ষ্যা সেতু। এ ব্যাপারে যিনি আন্তরিক হবেন, তাঁকেই ভোট দেব।’ একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে তিনি বলেন, বর্তমানে মহাজোট সরকার ক্ষমতায়। আর শামীম ওসমান আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। সেই হিসাবে শামীম ওসমান নির্বাচিত হলে নগরীর উন্নয়ন দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’ মাসদাইর এলাকার ভোটার নারায়ণ চন্দ্র ও মতিউর রহমান বলেন, ‘এলাকা মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে, নদী রক্ষা করতে হবে। শহরে যাতায়াতের জন্য রাস্তার উন্নয়ন যিনি করতে পারবেন, তাঁকেই আমরা ভোট দেব।’ আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। তবে এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে, এলাকায় সুষ্ঠু ভোট হবে। প্রশাসনের লোকজনও বেশ তৎপর।’
শামীম-তৈমূর-আইভী যা বললেন
আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী শামীম ওসমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনে তৈমূর আর আইভীর পাশাপাশি একটি পত্রিকাও আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রতিদিনই তারা তাদের মনগড়া কিছু সংবাদ দিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে। তারা আমাকে সন্ত্রাসী গডফাদার হিসেবে চিহ্নিত করতে চায়। কিন্তু জনগণ ভোটের মাধ্যমে আমাকে বিজয়ী করে সেই নোংরামির কঠিন জবাব দেবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জবাসীর কষ্ট দূর করতে কাজ করব।’
বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে আমি ৪০ বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছি। কখনো নির্বাচনে দাঁড়াইনি। এটাই আমার প্রথম নির্বাচন। প্রশাসন নিরপেক্ষ হলে জনগণ আমাকে নির্বাচিত করে এই ব্যর্থ সরকারের বিরুদ্ধে সমুচিত জবাব দেবে। নির্বাচিত হলে এই শহরকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নগরীতে পরিণত করব।’
সাবেক পৌর মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ পৌর নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর এলাকার উন্নয়ন করে মানুষের মন জয় করেছি। এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নসহ একে আধুনিক নগরীতে পরিণত করব।’ তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে একটি পক্ষ প্রভাব খাটিয়ে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ইভিএম পদ্ধতির পরীক্ষামূলক মহড়ায় অপ্রত্যাশিতভাবে টেবিলঘড়ি প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে। গতকাল বিকেলে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দেওয়া আইভীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষামূলক এ মহড়ায় ইভিএমে টেবিলঘড়ি প্রতীক রয়েছে। অথচ মেয়র পদপ্রার্থীদের বরাদ্দ করা প্রতীকগুলোর মধ্যে একজনের প্রতীক দেয়ালঘড়ি।
তিন মেয়র পদপ্রার্থীর দিনভর গণসংযোগ
শেষ মুহূর্তের প্রচারকাজে গতকাল বুধবার দিনভর ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন আলোচিত তিন মেয়র পদপ্রার্থী। সকাল থেকে তাঁরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চেয়েছেন। অসুস্থতার কারণে শামীম ওসমান গত মঙ্গলবার সশরীরে প্রচার চালাতে পারেননি। গতকাল সকাল থেকেই তিনি ছিলেন ব্যস্ততার কেন্দ্রবিন্দুতে। আইভী ও তৈমূরও প্রচার অভিযানে ব্যস্ত ছিলেন। সর্বোপরি নাওয়া-খাওয়া ভুলে তিন মেয়র পদপ্রার্থী এখন ছুটছেন ভোটারের দুয়ারে দুয়ারে।
শামীম ওসমান : গতকাল সকালে বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন শামীম ওসমান। এ ছাড়া উঠান বৈঠক ও পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম সাগর প্রমুখ। বিকেলে শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও বঙ্গবন্ধু সড়কে গণসংযোগ করেন। তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের দেওয়ালি উৎসব উপলক্ষে তাদের শুভেচ্ছা জানান।
এ ছাড়া বন্দরে সকালে শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্ল্লাহ, বি এম মোজাম্মেল হোসেন এমপি, খালেদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মৃণাল কান্তি দাস, এ বি এম রেজাউল করীম কাউসার, লিটন সাহা প্রমুখ। বিকেলে তাঁরা উঠান বৈঠক করেন দেওভোগ এলাকায়।
যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট অপু উকিল এমপি শহরের খানপুর ব্যাংক কলোনি ও মিশনপাড়া এলাকায় যুব মহিলা লীগের নেতাদের নিয়ে শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করেন। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষ দিনব্যাপী গণসংযোগ করেন হিন্দু অধ্যুষিত বংশাল, সুতারপাড়া ও ডাইলপট্টি এলাকায়।
শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করেছেন ব্যবসায়ী ও গার্মেন্ট শ্রমিক নেতারাও। বিকেএমইএ ও বিজিএমইএর শীর্ষস্থানীয় নেতারা গতকাল দিনভর গোদনাইল ও চিত্তরঞ্জন কটন মিল এলাকায় দেয়ালঘড়ি প্রতীকে ভোট চান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মনছুর আহমেদ, শফিকুজ্জামান প্রিন্স, হুমায়ুন কবীর, গোলাম জাকারিয়া ভুঁইয়া, ফারুক বিন ইউছুফ পাপ্পু, বিজিএমইএ নেতা এস এম মান্নান কচি, রিয়াজ বিন মাহমুদ, মাসুদ কাদের মনা, জালাল উদ্দিন, রবিউল হাছান, কেন্দ্রীয় গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলাম রনি, শামীমা নাসরিন, লিমা ফেরদৌসী প্রমুখ।
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের নেতৃত্বে একটি দল বন্দরে দিনব্যাপী শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করে। এতে অংশ নেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বলরাম পোদ্দার, রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, খলিলুর রহমান, এইচ এম মাসুদ দুলাল, শাহজাদা মহিউদ্দিন প্রমুখ। ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউল আলম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের নেতৃত্বে মোট ১৮টি দল শহরের ৯টি ওয়ার্ডে দেয়ালঘড়ির পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে। অরুণ সরকার রানার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের একটি দল শহরে গান পরিবেশন করে শামীম ওসমানের পক্ষে ভোট চায়।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ শহর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জাসদ (ইনু) এ কে এম শামীম ওসমানকে সমর্থন দিয়েছে। গতকাল দুপুরে শহর জাসদের সভাপতি মোসলেম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ সমর্থন দেওয়া হয়।
তৈমূর : আমানউল্লাহ আমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তৈমূর আলম খন্দকারের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আলহাজ আবুল কালামের সার্বিক সহযোগিতায় গতকাল তৈমূর আলম খন্দকারের আনারস প্রতীকের পক্ষে শহর, বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জের শতাধিক স্থানে ব্যাপক গণসংযোগ করা হয়েছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, হাবিবুর রহমান হাবিব, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম নীরব, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মীর শরাফত আলী সপু, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, বাদরু, ফরহাদসহ নেতা-কর্মীরা শতাধিক দলে বিভক্ত হয়ে সদর, বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের ভঁূইয়া এমপি, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি, নজরুল ইসলাম মঞ্জু এমপি, গিয়াসউদ্দিন এমপি, হাবিবুর রহমান হাবিব, জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, শিরিন সুলতানা, হারুন অর রশিদ এমপি প্রমুখ।
অন্যদিকে তৈমূর আলম খন্দকার সকালে ১ নম্বর ওয়ার্ডের অক্টো, ইসদাইর, চানমারী, চাষাঢ়া মাউড়াপট্টি ও এবিসি স্কুল-সংলগ্ন চাষাঢ়া এলাকায় গণসংযোগ করেন।
আইভী : গতকাল সকাল ৯টায় ডা. সেলিনা হায়াত আইভী বন্দর এলাকায় গণসংযোগ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক সাবেক এমপি এস এম আকরাম। এ ছাড়া তাঁর পক্ষে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। যুবলীগ নেতা আবদুল কাদির বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জে গণসংযোগ করেন। এ ছাড়া সম্মিলিত নাগরিক কমিটি ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি শহরে গণসংযোগ করেন। প্রচারকালে তাঁর পক্ষে লিফলেট বিলি করা হয়।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ | ২৭ অক্টোবর ২০১১

This entry was posted in কালের কণ্ঠ. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s