আইভী বিজয়ী | বিপুল ভোটের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জ সিটির প্রথম মেয়র

 সব জল্পনা-কল্পনা আর হিসাব-নিকাশের অবসান ঘটিয়ে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হলেন ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ কে এম শামীম ওসমানকে তিনি হারিয়ে দিয়েছেন এক লাখের অধিক ভোটের ব্যবধানে। এই বিশাল বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি ইতিহাস গড়লেন দেশের কোনো সিটি করপোরেশনে প্রথম নির্বাচিত নারী মেয়র হওয়ার।
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় জিয়া হল মিলনায়তনে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে গত রাতে মোট ১৬৩ কেন্দ্রের সবকটির ফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে আইভী পেয়েছেন এক লাখ ৮০ হাজার ৪৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামীম ওসমান পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৭০৫ ভোট। এ ছাড়া শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের আনারস প্রতীকে পড়েছে পাঁচ হাজার ৪৮২ ভোট। শামীম ওসমানের চেয়ে ডা. আইভী এক লাখ এক হাজার ৩৪৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মেয়র পদে ভোট পড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি।
ডা. আইভীর বাবা আলী আহমেদ চুনকাও ছিলেন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে মেয়ে আইভীও আরেকটি ইতিহাস গড়লেন। গতকাল রবিবার আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট দিয়ে নারায়ণগঞ্জবাসী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত করলেন তাঁদের অভিভাবককে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা পাশে না থাকলেও ব্যাপক জনপ্রিয়তাই আইভীকে এই বিজয়ের মুকুট পরিয়েছে। এই বিজয়কে তাঁর ওপর জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
গত রাতে জিয়া হল মিলনায়তন কেন্দ্র থেকে জেলা রিটার্নিং অফিসার বিশ্বাস লুৎফর রহমান একেকটি কেন্দ্রের ফল ঘোষণার পরপরই আইভীর সমর্থকরা হর্ষধ্বনি করে উল্লাস প্রকাশ করেন। তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন। রাত পৌনে ১টায় মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদে বেসরকারিভাবে
নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা শেষ হয়।
মেয়র পদপ্রার্থী তিনজন জামানত হারিয়েছেন : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইভী ও শামীম ওসমান ছাড়াও আরো চারজন মেয়র পদপ্রার্থী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত তৈমূর আলম খন্দকার শনিবার গভীর রাতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। বাকি তিনজন হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (গরুর গাড়ি), আতিকুল ইসলাম জীবন (তালা) ও শরীফ মোহাম্মদ (হাঁস)। এই তিনজনই তাঁদের জামানত হারিয়েছেন।
শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ : এর আগে গতকাল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ১৬৩টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। সেনা মোতায়েন না হওয়ায় নির্বাচনে গোলযোগ সৃষ্টির যে আশঙ্কা ছিল, শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এ সময় প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন ব্যাপক সক্রিয়। দুই শক্ত মেয়র পদপ্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ও এ কে এম শামীম ওসমান পাল্টাপাল্টি কিছু অভিযোগ করলেও কোনো কেন্দ্রেই তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। বিশেষ করে নারী ও হিন্দু ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরের মধ্যেই কেন্দ্রগুলোতে ৫০ শতাংশ ভোট পড়ে। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা কেন্দ্রগুলোর কয়েকটিতে দ্রুতই ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে যায়। ব্যতিক্রম হিসেবে কোনো কোনোটিতে আবার জটের সৃষ্টি হয়।
গতকাল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনভুক্ত বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও শহর এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও ভোটাররা আগেই কেন্দ্রগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। তবে বিশৃঙ্খলা ছিল না। কেন্দ্র খুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে শুরু করেন। কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটার আইডি কার্ড থাকলেও তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অন্য কেন্দ্রে তালিকাভুক্ত হওয়ায় খুঁজে ভোট দিতে বেগ পেতে হয় কিছু কিছু ভোটারকে।
ইভিএম পদ্ধতির কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষিত ভোটাররা সহজেই ভোট দিতে সক্ষম হন। তবে অশিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিতদের কিছুটা বিপাকে পড়তে হয়। কয়েকটি কেন্দ্রে আইভীর এজেন্ট থাকলেও শামীম ওসমানের কোনো এজেন্টের দেখা মেলেনি। কয়েকটি কেন্দ্রে এর বিপরীত চিত্রও দেখা গেছে; শামীম ওসমানের এজেন্ট আছে অথচ আইভীর নেই। তবে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না এজেন্টদের। এর পাশাপাশি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের দু-একজন এজেন্টকেও ভোটকেন্দ্রে দেখা গেছে। অবশ্য তাঁরা ছিলেন বলতে গেলে নীরব দর্শক। তৈমূর আলমের আনারস প্রতীকে কিছু ভোটও পড়েছে। এ ছাড়া কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের প্রায় সবার এজেন্টের উপস্থিতি দেখা গেছে ভোটকেন্দ্রগুলোতে।
নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিটি কেন্দ্রে আনসার, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নজরে পড়ে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে মোড়ে মোড়ে বসানো হয় চেকপোস্ট। সন্দেহ হলেই তারা যানবাহন ও পথচারীদের দেহ তল্লাশি করে। একই সঙ্গে সাইরেন বাজিয়ে পুরো নির্বাচনী এলাকায় টহলও ছিল।
বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার আগের রাতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় তিনি ভোট দিতে যাননি। অবশ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তৈমূর আলম খন্দকার প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। অন্য দুই শক্ত মেয়র পদপ্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ও এ কে এম শামীম ওসমান সকালেই নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোটদান শেষে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে বের হন। বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হলেও কেন্দ্রের সীমানার ভেতরে থাকা ভোটাররা এই সময়সীমার পরেও ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।
দুপুর সাড়ে ১২টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে ডা. সেলিনা হায়াত বলেন, ‘সকাল থেকেই ভোট ভালো হচ্ছে। টুকটাক কিছু অনিয়মের কথা শুনেছি। কিন্তু ব্যাপক কিছু নয়। এই সময় পর্যন্ত নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে। প্রশাসন সঠিকভাবেই দায়িত্ব পালন করছে। তবে গত রাতে কিছু কিছু এলাকায় আমার এজেন্টদের ভয়-ভীতি দেখানো হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্রে আমার এজেন্টরা আসতে পারেননি।’
দুপুর পৌনে ১টায় শহরের বিবি মরিয়ম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা রিটার্নিং অফিসার বিশ্বাস লুৎফর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কেউ কেউ এজেন্ট না দিয়েই বলছেন তাঁদের এজেন্টদের আসতে দেওয়া হয়নি। এ রকম অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেউ কোনো অভিযোগ নিয়েও আমার কাছে আসেননি বা আমাকে জানাননি। আমিও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের চিত্র দেখতে পেয়েছি।’
অবশ্য বিকেল সোয়া ৩টায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী এ কে এম শামীম ওসমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে পুলিশ টাকা খেয়ে আইভীর পক্ষে কাজ করেছে। নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের লোকজন টাকা ছড়িয়ে আইভীর পক্ষে কাজ করেছে। ইভিএম পদ্ধতিতেও সমস্যা হয়েছে। দেয়ালঘড়িতে ভোট দিলেও সেই ভোট গিয়ে পড়েছে দোয়াত-কলম প্রতীকে। এখন নির্বাচনের ব্যাপারে আমি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। যেহেতু আমি একটি দল করি, কাজেই আমারও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে।’
এর আগে দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জ ক্লাব কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে জামিউর রহমান রনি নামের এক জাল ভোটারকে হাতেনাতে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেন। এ সময় শামীম ওসমান জানান, আইভীর পক্ষে সে জাল ভোট দিতে এসেছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠলে র‌্যাব ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার মুক্তার হোসেন জানান, কেউ তাঁর কাছে কোনো অভিযোগ জানাননি। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর এজেন্ট রুবেল ও রাজু বলেন, পোলিং অফিসারের গাফিলতির কারণে এক নম্বর বুথে চার-পাঁচটি জাল ভোটের ঘটনা ঘটেছে। ওই বুথের পোলিং অফিসার জসিম উদ্দিন বলেন, ‘একই চেহারার দুটি লোক এসেছিল। এতে ছবি নিয়ে ঝামেলা হয়। একটি জাল ভোট পড়েছে। এটা বড় কোনো কিছু নয়।’ দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কেন্দ্রটিতে তিন হাজার ৭৪৩ ভোটের মধ্যে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়ে বলে প্রিসাইডিং অফিসার জানান।
সকাল পৌনে ১১টায় শহরের লক্ষ্মীনারায়ণ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় নারী ভোটারের দীর্ঘ লাইন। কেন্দ্রে মোট ভোটার দুই হাজার ৮২৩ জন। ওই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯০০। প্রিসাইডিং অফিসার আজমল হোসেন ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছে। কারো কোনো অভিযোগ নেই।’
নারায়ণগঞ্জ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে গিয়ে ভোটারদের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। কেন্দ্রে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র পদপ্রার্থী শামীম ও আইভীর পোলিং এজেন্ট রয়েছেন। কারো বিরুদ্ধে কারো কোনো অভিযোগ নেই। প্রিসাইডিং অফিসার অমর কৃষ্ণ সাহা বলেন, ‘এই কেন্দ্রে দুই হাজার ৫০৭ পুরুষ ভোটারের মধ্যে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত এক হাজারের মতো ভোট পড়েছে। কোনো সমস্যা নেই।’ সুন্দর পরিবেশে ভোট হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই কেন্দ্রে ৮০ শতাংশ ভোট পড়বে।’
সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে পাইকপাড়ার বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় সেখানে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ চলছে। কিন্তু ভোটারের তেমন ভিড় নেই। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবুল হোসেন বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া খুব সহজ। এ কারণে ভোটগ্রহণ দ্রুত হচ্ছে এবং কেন্দ্রে ভোটারের ভিড়ও হচ্ছে না। প্রথম প্রথম বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা কিছুটা ঝামেলায় পড়লেও পরে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়। দুপুর পৌনে ১২টার মধ্যে এই কেন্দ্রে ৫০ শতাংশ ভোট পড়ে বলে তিনি জানান।
সকাল ১১টায় বাবুরাইল বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের এক হাজার ৮২৩ ভোটের মধ্যে ৫৮৮টি ভোট পড়ে বলে জানান প্রিসাইডিং অফিসার ডা. ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, এখানে সব প্রার্থীরই পোলিং এজেন্ট আছেন এবং কোনো সমস্যা নেই।
গণবিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে দুই হাজার ৮৭০ ভোটের মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়ে দেড় হাজারের মতো। প্রিসাইডিং অফিসার নূরউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভোটগ্রহণের গতি দেখে মনে হচ্ছে ৭০ শতাংশ ভোট পড়বে। এই কেন্দ্রে আনোয়ার হোসেন নামে রেলিবাগান এলাকার এক যুবক নির্বাচনী আচরণ ভঙ্গ করে ভোটকক্ষে ঢুকে পড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল কবির তাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ডা. সেলিনা হায়াত আইভী (দোয়াত-কলম) প্রাপ্ত ভোট : ১,৮০,০৪৮
এ কে এম শামীম ওসমান (দেয়াল ঘড়ি) প্রাপ্ত ভোট : ৭৮,৭০৫

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ | ৩১ অক্টোবর ২০১১

This entry was posted in কালের কণ্ঠ. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s